করোনার ছোবলে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষাব্যবস্থা

Image

করোনার ছোবলে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষাব্যবস্থা

ফেনী রিপোর্ট ডেস্ক: কোভিড মহামারীর ছোবলে বিশ্ববাসীর জীবন জীবিকা শিক্ষা স্বাস্থ্য ব্যবসা বানিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গত মার্চ ২০২০ থেকে কোভিশ মহামারির কারনে প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, মাদ্রাসা, কিন্ডারগার্টেন স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় রাস্ট্রীয় সিদ্ধান্তের কারণে বন্ধ হয়ে আছে। মার্চ-মে লকডাউনের কারণে দেশের গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জুন মাস থেকে বাংলাদেশের মানুষ স্বভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করে। সরকার জীবন জীবিকা নির্বাহ করতে হাট বাজার শহর বন্ধর কল কারখানা অফিস আদালত খুলে দিয়েছে। গ্রামীণ জনপদের মানুষের অথনীতির চাকা ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য ব্যাংক ও এনজিও এর মাধ্যমে ৮,০০০ কোটি টাকা প্রণোদনা প্যাকেজ সহায়তা দিয়েছে। পোশাক শিল্পের জন্য ৫,০০০ কোটি টাকা প্রণোদনা প্যাকেজ সহায়তা দিয়েছে। সারাদেশে গ্রামীণ অর্থনীতি এবং শহরের অর্থনীতি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে। করোনার ভয়কে জয় করে মানুষ সচেতন এবং স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে শুরু করেছে। করোনাকালে জীবন ও জীবিকা চালু হলেও শিক্ষাব্যবস্থা মার্চ মাস থেকে বন্ধ রয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি শিক্ষার্থীদের একটা বছর। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অধিকাংশ গ্রামের বাড়িতে বসবাস করে, অনেক শিক্ষার্থীদের পরিবারে শিক্ষিত পিতামাতা ভাইবোন এবং পাড়া প্রতিবেশী নেই। টিভি চ্যানেল এবং ইন্টারনেট সুবিধাও নেই। প্রতি বছর ৩০ লক্ষ শিক্ষার্থী পিএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে থাকে। প্রায় ২৫ লক্ষ শিক্ষার্থী জেএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে থাকে। প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষাথী এবং কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জীবন জীবিকা ও শিক্ষা চলবেই সমান তালে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলে জাতির মেরুদণ্ড সোজা হয়ে দাঁড়াবেনা। করোনাকালে প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কলেজ বন্ধ রয়েছে। সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন ও বোনাস দিয়েছে। তাহলে এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজ প্রতি মাসে ছাত্র বেতন ও পরীক্ষার ফি আদায় করিতেছে কেন? এমপিওভুক্ত স্কুল কলেজের ছাত্র বেতন সরকারী কোষাগারে রাজস্ব আদায়ের উৎস হিসেবে জমা পড়ে কি? ঢাকা ও চট্রগ্রাম এবং বড় বড় শহরে অনলাইন ক্লাস এবং এসাইনমেন্ট এর নামে শিক্ষার্থীদের থেকে মাসিক বেতন ও পরীক্ষার ফি আদায় করছে? কোচিং সেন্টারগুলো তাই করছে!! করোনায় যেখানে প্রনোদনা ও সংযমের মাধ্যমে সারা পৃথিবী চলছে, সেখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ ছাত্র বেতন ও পরীক্ষার ফি আদায়ে কেন অব্যবস্থাপনা চলছে৷ সরকারী বেসরকারী এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের পাঠদান না করে কেন বেতন ও পরীক্ষার ফি আদায় করবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী ছাত্র বেতন আদায় নিয়ে শিক্ষানিয়ে ছিনিমিনি বন্ধ করে অভিভাবকদের অর্থের অপচয় থেকে রক্ষা করবেন এবং গ্রহণকত ছাত্র বেতন ও পরীক্ষার ফি ২০২১ সালের বেতন এর সাথে সমন্বয় করার সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন এটাই নাগরিকদের প্রত্যাশা। চীনের উহান প্রদেশ থেকে করোনা মহামারীর উতপত্তি। ডিসেম্বর ২০১৯ থেকে বিশ্ববাসীর জীবন যাপন ও শিক্ষার সুযোগ লন্ডভন্ড করে দিয়েছে। করোনা মহামারি মানে আতংক এবং অভিশাপ হিসেবে WHO প্রচার করেছে। করোনা মহামারী পরিস্থিতি মোকাবিলায় হু ব্যথতার পরিচয় দিয়েছে।। চিকিৎসা বিজ্ঞান প্রযুক্তি ব্যবহার করে করোনা মহামারী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে নাই। কোন দেশকেই সঠিক সময়ে সঠিক দিক নিদর্শনা এবং গাইড লাইন দিতে পারে নাই।। আতংকে চিকিৎসার অভাবে অনেক মানুষের জীবনের গতি থামিয়ে দিয়েছে। করোনায় মানুষের মৃত্যু হার ১.৪৩%। করোনার আতংক না ছড়িয়ে জীবন জীবিকার ন্যায় শিক্ষাকে চালু করা ছাড়া কোন উপায় নেই। করোনায় ৬ থেকে ২৫ বছরের শিক্ষার্থীদের মত্যু হার ০%। তাহলে কেন শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ও বিনোদনের কেন্দ্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। শিক্ষাথীদের জ্ঞানের বিকাশ অব্যাহত রাখতে চাইলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে হবে। শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড।। মেধাবী শিক্ষার্থীরা জাতির বিভেক।। ভবিষ্যত লিডারশীপ মেধাবী শিক্ষার্থীরা হাতে। পরীক্ষা ছাড়া রেজাল্ট উপরের শ্রেণিতে প্রমোশন, জিপিএ-৫ মেধাবী শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মাঝে অপরাধবোধ তৈরি করবে। কোভিড ১৯ এর ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বিশ্ববাসী বিকল্প পথ খুজে বের করেছে। পরীক্ষা ছাড়া মূল্যায়নের ভিত্তিতে এইচএসসি পাশ সাটিফিকেট মার্কশীট মেধার মূল্যায়ন!! পরীক্ষা ছাড়া সাটিফিকেট মার্কশীট প্রদান করলে জাতির বিবেক মেধাশুন্য হয়ে যাবে। একজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে পরীক্ষা ছাড়া সাটিফিকেট প্রদান করা শিক্ষানীতির বাহিরে শিক্ষার অব্যবস্থার মধ্যে পড়ে কিনা? আইনজীবী সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও জেলা জজ, অধ্যাপক জাতির বিবেকবান মানুষকে ভাবতে হবে এবং সঠিক দিক নিদেশনা দিতে হবে। ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষাথী ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮৯জন। নিয়মিত পরীক্ষাথী ১০,৭৯,১৭১ জন, অনিয়মিত পরীক্ষাথী ২,৬৬,৫০১ জন। ২,৫৭৯ টি পরীক্ষার কেন্দ্র। কোভিড-১৯ এর কারণে পরীক্ষা পদ্ধতির নতুন কিছু সংস্কার করা যেতে পারে। এইচএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র সংখ্যা বাড়িয়ে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি পরীক্ষার কেন্দ্র চালু করলে স্বাস্থ্য বিধি মেনে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব। MCQ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া। সপ্তাহে ৩ দিন পরীক্ষা নেওয়া, প্রতিদিন ২টি করে পরীক্ষা নেওয়া, পরীক্ষার দিন সাধারণ মানুষের জন্য লক ডাউন ঘোষণা করা। শুধুমাত্র এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষাথী চলাচল করবে। পরীক্ষাথীকে স্কুল ও কলেজের ড্রেস পড়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে হবে ইত্যাদি। লিখিত পরীক্ষা ছাড়া এইচএসসি পরীক্ষার সাটিফিকেট প্রদান প্রায় ১৩,৬৫,০০০ ছাত্র ছাত্রীর জীবনে বিশেষ কোভিড কালিমা লেপন করবে কি! মেডিকেল কলেজ ভতি, সেনাবাহিনীর নিয়োগ দেওয়া হলে ওদের মধ্যে একটি অপরাধবোধ কাজ করবে। যেহেতু পরীক্ষা ছাড়া মূল্যায়নের ভিত্তিতে সাটিফিকেট প্রদান অব্যাহত থাকলে ডিগ্রি, অনার্স ও এমএ এর শিক্ষার্থীরা সাটিফিকেট দাবী করলে দোষের কি? ভবিষ্যতে বিকল্প সাটিফিকেট প্রাপ্ত মেধাবীরা দেশের উচ্চপদে ঘুষ ও দুনীতিতে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা আছে।। COVID-19 বাংলাদেশের শিক্ষা চাকুরী ব্যবসা বানিজ্য স্বাভাবিক জীবন যাপন কে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। একটি জাতির ধ্বংস শুরু হয় শিক্ষার্থীদেরকে অনৈতিক কাজে জড়ালে। বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় একজন ছাত্রের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জীবন গড়ার সিড়ি এইচএসসি পরীক্ষা। এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল এসএসসি পাশের চেয়ে অনেক শিক্ষার্থী ভালো করে আবার অনেক শিক্ষার্থী খারাপ করে। মুল্যায়ন ভিত্তিতে সাটিফিকেট দেওয়া হলে প্রকৃত মেধাবীদের মেধার মূল্যায়ন হবে না। অনেক বখাটে লেখাপড়া না এসএসসি ও জেএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ এর ভিত্তিতে A+ পেয়ে যাবে। করোনাকালে সিডিউল করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে ৩ কোটি ৫০ লক্ষ শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া নিশ্চিত করতে হবে দেশের ব্যবসা বানিজ্য, ব্যাংক বীমা, অফিস আদালত, শিল্প কল কারখানা, পোশাক শিল্প, যাতায়াত যোগাযোগ, পরিবহন, হাট বাজার, শপিং মল, রেস্টুরেন্টে, সী বিচ, কক্সবাজার কোথাও করোনা নেই।। করোনা শুধু শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাংগনে। প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চ বিদ্যালয়, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসায়? ১ লা জুন থেকে ১৬ কোটি মানুষ স্বাভাবিক জীবন যাপন করছে। বাসে ট্রেনে, সিএনজি অটোরিকশা, হাটে বাজারে গাদাগাদি করে চলছে। বিয়ে-শাদি ঈদের নামাজ, জুমার নামাজ ইত্যাদি পালন করছে। কোভিড-১৯ এর নেতিবাচক প্রভাব কোথাও নেই। কোভিড-১৯ আতংক ছড়িয়ে দেশের অথনীতির অভাবনীয় ক্ষতি হয়েছে। শিক্ষার্থীরা বাজার শপিং মলে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের মাঝে কোন ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করার সুযোগ নেই। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ স্বাভাবিক জীবন যাপন করছে। বাংলাদেশের ৬৮,০০০ গ্রামের অনেক মানুষ মাক্স ব্যবহার করে না। শহরের মানুষ হাটে-বাজারে মাক্স ব্যবহার করে। এখন ভয় নেই, অনেকে পিপিপি এখন পড়ে না। তাই শিক্ষাথীদের মেধার মূল্যায়ন করতে হলে এইচএসসি এবং ডিগ্রি ও এম এ পরীক্ষা নেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। কুইজ পদ্ধতি ব্যবহার করে পরীক্ষা নিতে হবে। পরীক্ষা ছাড়া সাটিফিকেট মার্কশীট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলে শিক্ষা ব্যবস্থায় ধস নামবে। কভিড-১৯ কারণে ১ বছর প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় কিন্ডারগার্টেন স্কুলে সেশনজট হলে অসুবিধা কোথায়। এরশাদের শাসনকালে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩;৪ বছরের সেশন জট ছিল । শিক্ষার্থীদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছি কেন? পরীক্ষা ছাড়া মেধার বিকাশ হয় না। মেধাবী শিক্ষার্থীদের মেধার প্রমাণ করতে এইচএসসি পরীক্ষাসহ সকল সাটিফিকেট পরীক্ষা MCQ পদ্ধতিতে নিতে হবে। করোনাকালে MCQ পদ্ধতিতে সাটিফিকেট পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে ১) ৩০ দিন পুবে পরীক্ষার রুটিন দিতে হবে ২) পরীক্ষাথীর পরীক্ষা কেন্দ্র পরিবতনের জন্য অনলাইনে সুযোগ দিন ৩) শিক্ষার্থীদের বাসার নিকটের স্কুল বা কলেজে কেন্দ্র স্থাপন করে পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া ৪) প্রতি শুক্রবার শনিবার ও রবিবার পরীক্ষা নেওয়া ৫)ঃপ্রতিদিন ২টি করে ৪টি পরীক্ষা নেওয়া ৬) প্রতিটি পরীক্ষা MCQ পদ্ধতিতে নেওয়া ৭) পরীক্ষা কেন্দ্রের ১ কিলোমিটার এর মধ্যে পুলিশ মোতায়েন করে পরীক্ষাথীদের যাতায়াতের সুযোগ দেওয়া। ৮) যদি কোনো কারণে কোন শিক্ষার্থী কোভিড আক্রান্ত হয়ে যায় তাদেরকে সুস্থ হওয়ার পরে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ দেওয়া!! লেখক: নাজমুল হক,গবেষক ও উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ।
Advertisement

ফেইসবুক লাইক
অন্যান্য পত্রিকা

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ :
Image

বিশেষ সংবাদদাতা: জেএসসি (অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট) এবং পিইসি বিস্তারিত

Image

ফেনী রিপোর্ট ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারো স্পষ্ট করে বলে বিস্তারিত

Image

ফেনী রিপোর্ট ডেস্ক: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যু বৃদ্ধি পাওয়ায় বিস্তারিত

Image

ফেনী রিপোর্ট ডেস্ক: করোনাকালে বিশ্বব্যাপী স্কুল বন্ধ রাখায় বিশ্বে শিক্ষা বিস্তারিত

Image

ফেনী রিপোর্ট ডেস্ক: বছরের শুরুতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের বিস্তারিত

Image

ফেনী রিপোর্ট ডেস্ক: ফেনী ইউনিভার্সিটির ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী । ‘সেন্টার বিস্তারিত

Image

সোনাগাজী সংবাদদাতা: সোনাগাজীতে উপজেলা সাহিত্য ফোরামের আয়োজনে বিস্তারিত

Image

ফেনী রিপোর্ট ডেস্ক: এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামী ২৫ ডিসেম্বরের বিস্তারিত







প্রধান সম্পাদক : এস এম ইউসুফ আলী
নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ ওমর ফারুক
বার্তা সম্পাদক : এম ডি ফখরুল ইসলাম
তাসলিমা আক্তার লিমু কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।

হাজী শাহ আলম টাওয়ার (৪র্থ তলা), শহীদ শহীদুল্লাহ কায়সার সড়ক, ফেনী।

মোবাইল: ০১৮১২-১৫৯৯৬১, ০১৯১৯-১৫৯৯৬১, ০১৭১১ ৩৪১২৩৫

ই-মেইল : eusufpress@gmail.com, newsfenireport.com

Developed By: SBIT

© fenireport.com Site All Rights Reserved